Skip to Content
মুসলিম সাহিত্য সমাজ

Price:

2,800.00 ৳


Ghost-Eye
Ghost-Eye
1,440.00 ৳
1,600.00 ৳ (10% OFF)
ASHES BENEATH THE ICE
ASHES BENEATH THE ICE
396.00 ৳
495.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

মুসলিম সাহিত্য সমাজ

সভার সংক্ষিপ্ত কার্যবিবরণী ১৯২৬ - ১৯৩৮

শতবর্ষপূর্তি সংস্করণ : ডিসেম্বর ২০২৫ 
উনিশ ও বিশ শতকে বাঙালি মুসলমানের আগরণে সভা-সমিতির একটি বিশেষ ভূমিকা ছিল। সংস্কার ও রক্ষণশীলতা, অশিক্ষা ও গোঁড়ামির বলয় থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে বাঙালি মুসলমানকে দিশা দিয়েছিল এই সামাজিক-সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় সংগঠনগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯২৬-এর একেবারে গোড়ার দিকে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ। 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বৃদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' এই বীজমন্ত্র নিয়ে 'সাহিত্য সমাজে'র যাত্রা হয়েছিল শুরু। বারো বছর আয়ুকালের এই সংগঠনটির বার্ষিক মুখপত্রের নাম ছিল শিখা। সংগঠনের নামের আগে 'মুসলিম' শব্দটি থাকলেও এখানে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ছিল না- হিন্দু-মুসলমান উভয়েই এখানে স্বচ্ছন্দে অংশ নিয়েছেন। উদার মুক্তচিন্তার সঙ্গে সম্প্রদায়-সম্প্রীতির একটি আবহও গড়ে উঠেছিল সংগঠনের কর্মকাণ্ডে।
এই 'মুসলিম সাহিত্য সমাজে'র সভার বিবরণ একটি বাঁধানো খাতায় লিখে রাখা হতো। 'সাহিত্য সমাজে'র সাধারণ ও ব্যর্ষিক অধিবেশনের কার্যবিবরণী এই সংগঠনের কর্মকারের মূল্যবান ও প্রামাণ্য উপকরণ। 'সাহিত্য সমাজে'র এই কার্যবিবরণী মূলত সংগঠনের নির্বাচিত বা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকই গুছিয়ে লিখে রাখতেন। যতদিন সমিতির কার্যক্রম চলেছিল, সেই বারো বছরের সভার বিবরণী-খাতা একসময় কাজী আবদুল ওদুদের কাছ থেকে তাঁর জামাতা, ওই 'সমাজে'রই একজন সক্রিয় সদস্য, শামসুল হুদার হাতে আসে। দীর্ঘকাল অযত্নে পড়ে-থাকায় পোকাকাটা বিবরণীর জীর্ণ খাতাটি বাঁধাইয়ের সুতো খুলে গিয়ে অবিন্যস্ত হয়ে পাড়ে- পৃষ্ঠাও যায়ে ওঠে বিবর্ণ ও নরম। হয়তো আর কিছুকাল পরে এই মূল্যবান উপকরণটির কোনো অগ্নিত্বই বজায় থাকতো না। সেই বিবেচনায় ড. আবুল আহসান চৌধুরীর উদযোগে এই খাতাটির প্রতিলিপি-সংস্করণ (Facsimile Edition) পাঠক সমাবেশের সৌজন্যে প্রকাশিত হলো। শিক্ষিত বাঙালি মুসলমাদের চেতনায় নাড়া দেওয়ার মতো একটি প্রতিষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য দলিল প্রকাশের প্রয়োজন ও গুরুত্ব সুধীজন অনুধাবন করলে তা হবে এই কাজের যথাযথ স্বীকৃতি।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/48579/image_1920?unique=6bb7b29

2,800.00 ৳ 2800.0 BDT 3,500.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

Pathak Shamabesh Books Book Fair- 2026
শতবর্ষপূর্তি সংস্করণ : ডিসেম্বর ২০২৫ 
উনিশ ও বিশ শতকে বাঙালি মুসলমানের আগরণে সভা-সমিতির একটি বিশেষ ভূমিকা ছিল। সংস্কার ও রক্ষণশীলতা, অশিক্ষা ও গোঁড়ামির বলয় থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে বাঙালি মুসলমানকে দিশা দিয়েছিল এই সামাজিক-সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় সংগঠনগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯২৬-এর একেবারে গোড়ার দিকে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ। 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বৃদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' এই বীজমন্ত্র নিয়ে 'সাহিত্য সমাজে'র যাত্রা হয়েছিল শুরু। বারো বছর আয়ুকালের এই সংগঠনটির বার্ষিক মুখপত্রের নাম ছিল শিখা। সংগঠনের নামের আগে 'মুসলিম' শব্দটি থাকলেও এখানে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ছিল না- হিন্দু-মুসলমান উভয়েই এখানে স্বচ্ছন্দে অংশ নিয়েছেন। উদার মুক্তচিন্তার সঙ্গে সম্প্রদায়-সম্প্রীতির একটি আবহও গড়ে উঠেছিল সংগঠনের কর্মকাণ্ডে।
এই 'মুসলিম সাহিত্য সমাজে'র সভার বিবরণ একটি বাঁধানো খাতায় লিখে রাখা হতো। 'সাহিত্য সমাজে'র সাধারণ ও ব্যর্ষিক অধিবেশনের কার্যবিবরণী এই সংগঠনের কর্মকারের মূল্যবান ও প্রামাণ্য উপকরণ। 'সাহিত্য সমাজে'র এই কার্যবিবরণী মূলত সংগঠনের নির্বাচিত বা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকই গুছিয়ে লিখে রাখতেন। যতদিন সমিতির কার্যক্রম চলেছিল, সেই বারো বছরের সভার বিবরণী-খাতা একসময় কাজী আবদুল ওদুদের কাছ থেকে তাঁর জামাতা, ওই 'সমাজে'রই একজন সক্রিয় সদস্য, শামসুল হুদার হাতে আসে। দীর্ঘকাল অযত্নে পড়ে-থাকায় পোকাকাটা বিবরণীর জীর্ণ খাতাটি বাঁধাইয়ের সুতো খুলে গিয়ে অবিন্যস্ত হয়ে পাড়ে- পৃষ্ঠাও যায়ে ওঠে বিবর্ণ ও নরম। হয়তো আর কিছুকাল পরে এই মূল্যবান উপকরণটির কোনো অগ্নিত্বই বজায় থাকতো না। সেই বিবেচনায় ড. আবুল আহসান চৌধুরীর উদযোগে এই খাতাটির প্রতিলিপি-সংস্করণ (Facsimile Edition) পাঠক সমাবেশের সৌজন্যে প্রকাশিত হলো। শিক্ষিত বাঙালি মুসলমাদের চেতনায় নাড়া দেওয়ার মতো একটি প্রতিষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য দলিল প্রকাশের প্রয়োজন ও গুরুত্ব সুধীজন অনুধাবন করলে তা হবে এই কাজের যথাযথ স্বীকৃতি।

আবুল আহসান চৌধুরী

ডক্টর আবুল আহসান চৌধুরী সমাজমনস্ক ও ঐতিহ্যসন্ধানী লেখক। তাঁর চর্চা ও গবেষণার বিষয় ফোকলোর, উনিশ শতকের সমাজ ও সাহিত্য, সংবাদ-সাময়িকপত্র, আধুনিক সাহিত্য, আঞ্চলিক ইতিহাস ও সংগীত-সংস্কৃতি। লালন সাঁই, কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ও মীর মশাররফ হোসেন-বিষয়ক তাঁর গবেষণা-কাজ দেশে-বিদেশে সমাদৃত। সংগ্রহ-সংকলন-সম্পাদনা করেছেন সাহিত্যসেবীদের মূল্যবান পত্র, ডায়েরি, দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ ও রচনাবলি। প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় একশো তিরিশ। জন্ম কুষ্টিয়ার মজমপুরে, ১৩ জানুয়ারি ১৯৫৩। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক (সম্মান), স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি। প্রায় চল্লিশ বছর অধ্যাপনা-পেশায় যুক্ত ছিলেন। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক। উল্লেখযোগ্য সম্মাননা-স্বীকৃতি-পুরস্কার : লালন পুরস্কার (পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লালন মেলা সমিতি, ২০০০), বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ পুরস্কার (কলকাতা, ২০০৮), গবেষণায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (ঢাকা, ২০০৯)।

Title

মুসলিম সাহিত্য সমাজ

Book Subtitle

সভার সংক্ষিপ্ত কার্যবিবরণী ১৯২৬ - ১৯৩৮

Publisher

পাঠক সমাবেশ

Number of Pages

176

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • History & Criticism
  • First Published

    January-2015

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    শতবর্ষপূর্তি সংস্করণ : ডিসেম্বর ২০২৫ 
    উনিশ ও বিশ শতকে বাঙালি মুসলমানের আগরণে সভা-সমিতির একটি বিশেষ ভূমিকা ছিল। সংস্কার ও রক্ষণশীলতা, অশিক্ষা ও গোঁড়ামির বলয় থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে বাঙালি মুসলমানকে দিশা দিয়েছিল এই সামাজিক-সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় সংগঠনগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯২৬-এর একেবারে গোড়ার দিকে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ। 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বৃদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' এই বীজমন্ত্র নিয়ে 'সাহিত্য সমাজে'র যাত্রা হয়েছিল শুরু। বারো বছর আয়ুকালের এই সংগঠনটির বার্ষিক মুখপত্রের নাম ছিল শিখা। সংগঠনের নামের আগে 'মুসলিম' শব্দটি থাকলেও এখানে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ছিল না- হিন্দু-মুসলমান উভয়েই এখানে স্বচ্ছন্দে অংশ নিয়েছেন। উদার মুক্তচিন্তার সঙ্গে সম্প্রদায়-সম্প্রীতির একটি আবহও গড়ে উঠেছিল সংগঠনের কর্মকাণ্ডে।
    এই 'মুসলিম সাহিত্য সমাজে'র সভার বিবরণ একটি বাঁধানো খাতায় লিখে রাখা হতো। 'সাহিত্য সমাজে'র সাধারণ ও ব্যর্ষিক অধিবেশনের কার্যবিবরণী এই সংগঠনের কর্মকারের মূল্যবান ও প্রামাণ্য উপকরণ। 'সাহিত্য সমাজে'র এই কার্যবিবরণী মূলত সংগঠনের নির্বাচিত বা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকই গুছিয়ে লিখে রাখতেন। যতদিন সমিতির কার্যক্রম চলেছিল, সেই বারো বছরের সভার বিবরণী-খাতা একসময় কাজী আবদুল ওদুদের কাছ থেকে তাঁর জামাতা, ওই 'সমাজে'রই একজন সক্রিয় সদস্য, শামসুল হুদার হাতে আসে। দীর্ঘকাল অযত্নে পড়ে-থাকায় পোকাকাটা বিবরণীর জীর্ণ খাতাটি বাঁধাইয়ের সুতো খুলে গিয়ে অবিন্যস্ত হয়ে পাড়ে- পৃষ্ঠাও যায়ে ওঠে বিবর্ণ ও নরম। হয়তো আর কিছুকাল পরে এই মূল্যবান উপকরণটির কোনো অগ্নিত্বই বজায় থাকতো না। সেই বিবেচনায় ড. আবুল আহসান চৌধুরীর উদযোগে এই খাতাটির প্রতিলিপি-সংস্করণ (Facsimile Edition) পাঠক সমাবেশের সৌজন্যে প্রকাশিত হলো। শিক্ষিত বাঙালি মুসলমাদের চেতনায় নাড়া দেওয়ার মতো একটি প্রতিষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য দলিল প্রকাশের প্রয়োজন ও গুরুত্ব সুধীজন অনুধাবন করলে তা হবে এই কাজের যথাযথ স্বীকৃতি।
    No Specifications