Skip to Content
Chattogramer Parbotya Anchol O Adibasi

Price:

240.00 ৳


আত্মদর্শন
আত্মদর্শন
636.00 ৳
795.00 ৳ (20% OFF)
Dhaka From City to Megacity
Dhaka From City to Megacity
1,196.00 ৳
1,495.00 ৳ (20% OFF)

Chattogramer Parbotya Anchol O Adibasi

"চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল ও অধিবাসী" বইটির ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ /b br ইদানিং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধিবাসি বা আঞ্চলিক শরণার্থী অথবা আন্তর্জাতিক সড়ক যােগাযােগ এর সবই আলােচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এগুলাের ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে যার কিছুটা এই বইতে আমরা খুঁজে পাব। এই বইটি যত্ন সহকারে পার্বত্য চট্টগ্রামের সামাজিক ইতিহাস, তার মানবিক জীবনধারা, গােষ্ঠীভিত্তিক আচার-অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে লেখা হয়েছে। এতে পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়নি; বরং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও সম্ভাবনাকে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে যােগাযােগ ব্যবস্থার দূর্গমতা ও প্রয়ােজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে। পাহাড়ি ও বাঙালির সামাজিক বৈপরিত্যের বাস্তবতাকে বর্ণনা করা হয়েছে দক্ষতার সাথে। বিভিন্ন পাহাড়ি নৃ-গােষ্ঠীর জীবন যাপনের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে বিশদ আলােচনায়। এটি আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক দলিল। সাম্প্রতিক আলােচনার বিষয়ের সাথে ঐতিহাসিক যােগসূত্র খুঁজে পেতে এই বইটি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। br ক্যাপ্টেন টি. এইচ. লেউইন (১৮৩৯ - ১৯১৬) পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার প্রথম জেলা প্রশাসক নিযুক্ত হন ১৮৬৬ সালে। ১৮৬০ সালে চট্টগ্রাম থেকে আলাদা হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম নামে একটি নতুন জেলা গঠিত হয়। প্রথম কয়েক বছর ক্যাপ্টেন ম্যাকগ্রাথ ছিলেন এই নতুন জেলার সুপারিনটেনডেন্ট, যিনি চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের অধীনে কাজ করতেন। পরবর্তীতে জেলার প্রশাসনিক ভবন চন্দ্রঘােনা থেকে রাঙামাটিতে স্থানান্তর করা হয় এবং সুপারিনটেনডেন্ট পদ বিলুপ্ত করে জেলা প্রশাসক অর্থাৎ ডিস্ট্রিক্ট কমিশনার নিয়ােগ দেয়া হয়। ক্যাপ্টেন লেউইন ১৮৬৬ থেকে ১৮৬৯ এবং ১৮৭১ থেকে ১৮৭৪ সাল এই দুই পর্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ছিলেন। তার পুরাে নাম থমাস হার্বার্ট লেউইন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম, তার আদিবাসি ও অন্যান্য প্রসঙ্গে অন্তত ১০টি বই লিখেছেন। বেঙ্গল প্রিন্টিং কোম্পানি লিমিটেড, কলিকাতা ১৮৬৯ সালে এই বইটি প্রকাশ করেছিল। টি. এইচ, লেউইন-এর তথ্য সংগ্রহের কৌশল, তার সন্নিবেশ ও সর্বোপরি উপস্থাপনের লেখন দক্ষতা অনেক উচ্চমানের এবং প্রশংসনীয়। গল্পাকারে কোন সত্য ঘটনার বর্ণনা একেবারে জীবন্ত এবং কালােত্তীর্ণ। লেখা পড়তে পড়তে পাঠক পার্বত্য জঙ্গলকে উপলব্ধি করতে পারবেন। লেখকের সঙ্গীত জ্ঞান প্রখর যে কারণে খুব সহজে পাহাড়ি সুর ও বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কে যথাযথ মন্তব্য করতে পারেন। টি. এইচ. লেউইন-এর মৃত্যুর ঠিক একশাে বছর পর তার একটি ইতিহাস সমৃদ্ধ অনন্য রচনার বাংলা অনুবাদ “চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল ও তার অধিবাসি” বইটি প্রকাশিত হচ্ছে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/52004/image_1920?unique=8969709

240.00 ৳ 240.0 BDT 300.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

"চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল ও অধিবাসী" বইটির ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ /b br ইদানিং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধিবাসি বা আঞ্চলিক শরণার্থী অথবা আন্তর্জাতিক সড়ক যােগাযােগ এর সবই আলােচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এগুলাের ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে যার কিছুটা এই বইতে আমরা খুঁজে পাব। এই বইটি যত্ন সহকারে পার্বত্য চট্টগ্রামের সামাজিক ইতিহাস, তার মানবিক জীবনধারা, গােষ্ঠীভিত্তিক আচার-অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে লেখা হয়েছে। এতে পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়নি; বরং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও সম্ভাবনাকে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে যােগাযােগ ব্যবস্থার দূর্গমতা ও প্রয়ােজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে। পাহাড়ি ও বাঙালির সামাজিক বৈপরিত্যের বাস্তবতাকে বর্ণনা করা হয়েছে দক্ষতার সাথে। বিভিন্ন পাহাড়ি নৃ-গােষ্ঠীর জীবন যাপনের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে বিশদ আলােচনায়। এটি আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক দলিল। সাম্প্রতিক আলােচনার বিষয়ের সাথে ঐতিহাসিক যােগসূত্র খুঁজে পেতে এই বইটি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। br ক্যাপ্টেন টি. এইচ. লেউইন (১৮৩৯ - ১৯১৬) পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার প্রথম জেলা প্রশাসক নিযুক্ত হন ১৮৬৬ সালে। ১৮৬০ সালে চট্টগ্রাম থেকে আলাদা হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম নামে একটি নতুন জেলা গঠিত হয়। প্রথম কয়েক বছর ক্যাপ্টেন ম্যাকগ্রাথ ছিলেন এই নতুন জেলার সুপারিনটেনডেন্ট, যিনি চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের অধীনে কাজ করতেন। পরবর্তীতে জেলার প্রশাসনিক ভবন চন্দ্রঘােনা থেকে রাঙামাটিতে স্থানান্তর করা হয় এবং সুপারিনটেনডেন্ট পদ বিলুপ্ত করে জেলা প্রশাসক অর্থাৎ ডিস্ট্রিক্ট কমিশনার নিয়ােগ দেয়া হয়। ক্যাপ্টেন লেউইন ১৮৬৬ থেকে ১৮৬৯ এবং ১৮৭১ থেকে ১৮৭৪ সাল এই দুই পর্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ছিলেন। তার পুরাে নাম থমাস হার্বার্ট লেউইন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম, তার আদিবাসি ও অন্যান্য প্রসঙ্গে অন্তত ১০টি বই লিখেছেন। বেঙ্গল প্রিন্টিং কোম্পানি লিমিটেড, কলিকাতা ১৮৬৯ সালে এই বইটি প্রকাশ করেছিল। টি. এইচ, লেউইন-এর তথ্য সংগ্রহের কৌশল, তার সন্নিবেশ ও সর্বোপরি উপস্থাপনের লেখন দক্ষতা অনেক উচ্চমানের এবং প্রশংসনীয়। গল্পাকারে কোন সত্য ঘটনার বর্ণনা একেবারে জীবন্ত এবং কালােত্তীর্ণ। লেখা পড়তে পড়তে পাঠক পার্বত্য জঙ্গলকে উপলব্ধি করতে পারবেন। লেখকের সঙ্গীত জ্ঞান প্রখর যে কারণে খুব সহজে পাহাড়ি সুর ও বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কে যথাযথ মন্তব্য করতে পারেন। টি. এইচ. লেউইন-এর মৃত্যুর ঠিক একশাে বছর পর তার একটি ইতিহাস সমৃদ্ধ অনন্য রচনার বাংলা অনুবাদ “চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল ও তার অধিবাসি” বইটি প্রকাশিত হচ্ছে।

Title

Chattogramer Parbotya Anchol O Adibasi

Publisher

Dibya Prokash

Number of Pages

171

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Tribal Studies / Social and Cultural life
  • First Published

    SEP 2024

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    "চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল ও অধিবাসী" বইটির ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ /b br ইদানিং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধিবাসি বা আঞ্চলিক শরণার্থী অথবা আন্তর্জাতিক সড়ক যােগাযােগ এর সবই আলােচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এগুলাের ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে যার কিছুটা এই বইতে আমরা খুঁজে পাব। এই বইটি যত্ন সহকারে পার্বত্য চট্টগ্রামের সামাজিক ইতিহাস, তার মানবিক জীবনধারা, গােষ্ঠীভিত্তিক আচার-অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে লেখা হয়েছে। এতে পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়নি; বরং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও সম্ভাবনাকে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে যােগাযােগ ব্যবস্থার দূর্গমতা ও প্রয়ােজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে। পাহাড়ি ও বাঙালির সামাজিক বৈপরিত্যের বাস্তবতাকে বর্ণনা করা হয়েছে দক্ষতার সাথে। বিভিন্ন পাহাড়ি নৃ-গােষ্ঠীর জীবন যাপনের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে বিশদ আলােচনায়। এটি আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক দলিল। সাম্প্রতিক আলােচনার বিষয়ের সাথে ঐতিহাসিক যােগসূত্র খুঁজে পেতে এই বইটি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। br ক্যাপ্টেন টি. এইচ. লেউইন (১৮৩৯ - ১৯১৬) পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার প্রথম জেলা প্রশাসক নিযুক্ত হন ১৮৬৬ সালে। ১৮৬০ সালে চট্টগ্রাম থেকে আলাদা হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম নামে একটি নতুন জেলা গঠিত হয়। প্রথম কয়েক বছর ক্যাপ্টেন ম্যাকগ্রাথ ছিলেন এই নতুন জেলার সুপারিনটেনডেন্ট, যিনি চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের অধীনে কাজ করতেন। পরবর্তীতে জেলার প্রশাসনিক ভবন চন্দ্রঘােনা থেকে রাঙামাটিতে স্থানান্তর করা হয় এবং সুপারিনটেনডেন্ট পদ বিলুপ্ত করে জেলা প্রশাসক অর্থাৎ ডিস্ট্রিক্ট কমিশনার নিয়ােগ দেয়া হয়। ক্যাপ্টেন লেউইন ১৮৬৬ থেকে ১৮৬৯ এবং ১৮৭১ থেকে ১৮৭৪ সাল এই দুই পর্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ছিলেন। তার পুরাে নাম থমাস হার্বার্ট লেউইন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম, তার আদিবাসি ও অন্যান্য প্রসঙ্গে অন্তত ১০টি বই লিখেছেন। বেঙ্গল প্রিন্টিং কোম্পানি লিমিটেড, কলিকাতা ১৮৬৯ সালে এই বইটি প্রকাশ করেছিল। টি. এইচ, লেউইন-এর তথ্য সংগ্রহের কৌশল, তার সন্নিবেশ ও সর্বোপরি উপস্থাপনের লেখন দক্ষতা অনেক উচ্চমানের এবং প্রশংসনীয়। গল্পাকারে কোন সত্য ঘটনার বর্ণনা একেবারে জীবন্ত এবং কালােত্তীর্ণ। লেখা পড়তে পড়তে পাঠক পার্বত্য জঙ্গলকে উপলব্ধি করতে পারবেন। লেখকের সঙ্গীত জ্ঞান প্রখর যে কারণে খুব সহজে পাহাড়ি সুর ও বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কে যথাযথ মন্তব্য করতে পারেন। টি. এইচ. লেউইন-এর মৃত্যুর ঠিক একশাে বছর পর তার একটি ইতিহাস সমৃদ্ধ অনন্য রচনার বাংলা অনুবাদ “চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল ও তার অধিবাসি” বইটি প্রকাশিত হচ্ছে।
    No Specifications